এটা হলো ভেন্না বা ক্যাস্টর নামে পরিচিত
এটাকে কেউ আবার করোনা ভাইরাস মনে
করিয়েন না কিন্তু। এটা হলো ভেন্না বা
ক্যাস্টর নামে পরিচিত।
এর বীজগুলো ভালোভাবে রোদে শুকিয়ে
সরিষা, তিল অথবা তিসির সঙ্গে মেশিনে
ভাঙিয়ে ভোজ্য তেল তৈরি করা হয়। গরম
ভাতের সঙ্গে খেলে খাবারে রুচি বাড়ে। এ
তেল নিয়মিত ব্যবহারে মাথা ঠাণ্ডা থাকে।
শরীরের যেকোনো কালো দাগ বা আগুনে
পোড়া দাগ দূর করতে এ তেল বিশেষ কার্যকরী।
চলুন তবে জেনে নেয়া যাক ভেন্নার
উপকারিতা-
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় এর ব্যবহার:
১. চোখ ওঠায় ভেন্না পাতার রস একটু গরম করে,
ছেঁকে ওই রস চোখে এক ফোঁটা দিলে সেরে
যাবে।
২. কচি পাতা ৪ থেকে ৫ গ্রাম সেদ্ধ করে
ছেঁকে সেই পানি খেলে ব্যথা কমে যায়।
৩. মাথা ভার ও যন্ত্রণায় ৫ থেকে ৬ গ্রাম
কাচি পাতা সেদ্ধ পানি খেলে কমে যায়।
৪. রাতকানা রোগে ১০ থেকে ১২ গ্রাম পাতা
ঘিয়ে ভেজে বা শাকের সঙ্গে ভেজে
খেলে তা কমে যায়।
৫. রক্তস্রাব ভালো না হওয়ায় তলপেটে ব্যথার
ক্ষেত্রে ভেন্না পাতা গরম করে তলপেটে
বসিয়ে রাখুন। এভাবে ২ থেকে ৩ দিন
লাগালে ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন।
বীজের ব্যবহার:
১. ভেন্নার বীজের শাঁস বেটে অল্প গরম করে
ফোঁড়ার ওপরে লাগালে পেকে ফেটে যায়।
২. সায়েটিকা বাতের ক্ষেত্রে ৬ থেকে ৭
টি বীজ বেটে দুধের সঙ্গে পায়েস করে
খেলে এ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
তেলের ব্যবহার:
১. শরীরে সাদা তিল থাকলে সেক্ষেত্রে এই
তেল একদিন অন্তর শরীরের ওইসব স্থানে মাখুন।
ক্রমেই দাগগুলো ভ্যানিশ হতে থাকবে।
২. কেটে গেলে ভেন্নার তেলের সঙ্গে হলুদ
গুঁড়া মিশিয়ে কাটা জায়গাটা চেপে বেঁধে
দিলে রক্ত বন্ধ হয়ে যায় ও ব্যথা হয় না এবং
তাড়াতাড়ি জুড়ে যায়।
৩. পোড়া জায়গায় এই তেলে তুলা দিয়ে
আস্তে আস্তে লাগান। ১০ থেকে ১৫ মিনিটের
মধ্যে পোড়ার জ্বালা কমে যাবে।



No comments