হতে পারে একটি (blog Website) আপনার সারা জীবনের ইনকামের উৎস
আপনি একটু কষ্ট করে আপনার লিখার মাধ্যমে ব্লগ(Blog) সাইটটাকে কোনভাবে দাড় করে ফেলতে পারেন। তাহলে এখান থেকে আপনি প্রতি মাসে অনেক ভালো এমাউন্টের একটা অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
যা ইতি মধ্যে অনেকে সফলভাবে করছে । আপনি যদি শুরুর দিকে একটু কষ্ট করে নিয়মিত ভালো কিছু আর্টিকেল(Article) লিখে যান তাহলে আপনার ব্লগ সাইট থেকে প্রতিমাসে ১০০০ ডলার পর্যন্তও আয় করা সম্ভব।
আপনি এখানে বাংলা বা ইংরেজি যে কোন ভাষায় ই ব্লগ লিখতে পারেন। বাংলা ভাষায় ব্লগ সাইট করেও এখন অনেক ভিজিটর পাওয়া সম্ভব এবং বাংলা ব্লগ সাইট থেকেও এখন একটা ভালো এমাউন্টের টাকা আয় করা সম্ভব । সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো বাংলা ভাষায় ওয়েবসাইটেও এখন গুগল এডসেন্স এর সার্ভিস দেওয়া শুধু করেছে গুগল।
যার ফলে এখন আর বিজ্ঞাপন নিয়ে ব্লগ এডমিনদের কোন ঝামেলায় পরতে হয় না । এবং ইনকামের পরিমাণ ও অনেক বেড়েছে। তবে হ্যা আপনি যদি ইংরেজিতে ব্লগসাইট তৈরি করতে পারেন তাহলে আপনার সফলতার হার অনেক বেশি থাকবে কারণ বাংলা ভাষার তুলনায় ইংরেজি ভাষার ভিজিটর অনেক বেশি এবং সেই সাথে আপনি যদি ইংরেজি ভাষায় ব্লগ তৈরি করেন তাহলে আপনার বেশিরভাগ ভিজিটর আসবে ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা এসব দেশ থেকে যাদের দেশের বিজ্ঞাপনের দাম আমাদের দেশের তুলণায় অনেক বেশি যার ফলে ইংরেজিতে ব্লগ সাইট করলে আপনার ইনকাম এর পরিমাণ অনেক বেড়ে যায় ।
আপনি ইচ্ছে করলে আপনার অবসর সময় গুলোতে আপনার ব্লগে লেখা লেখি করে কাটাতে পারেন। মনে রাখা ভালো আপনি আপনার ব্লগে যত বেশি সময় দিবেন আপনার সফল হওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। আজকে আমি আপনাদের এই বিষইটিই বলবো যে কিভাবে আপনারা একটি ব্লগসাইট তৈরি করবেন এবং কিভাবে সেটা দাড় করাতে পারবেন।কিভাবে সেই ব্লগে অনেক ভিজিটর আনবেন এবং কিভাবে আপনার ব্লগ থেকে আয় করবেন একদম A to Z আপনাদের মাঝে বর্ণনা করবো আজ । আশা করি,আপনারা যারা একদম নতুন এবং যারা এই ব্যাপারে কিছুটা হলেও জানেন সকলের জন্যই আর্টিকেলটা কাজে লাগবে। এখানে আমি ব্লগসাইট সর্ম্পকে সব কিছু নিয়ে আলোচনা করেছি। আমার এই আর্টিকেলটি থেকে আশা করি আপনারা সকলেই নতুন কিছু জানতে পারবেন এবং আপনিও আয় করতে পারবেন প্রতিমাসে ১০০০ডলার। তাই একটু সময় খরচ করে হলেও সবাই মনোযোগ দিয়ে পুরো পোষ্টি পড়ার চেষ্টা করবেন। আজকের এই আর্টিকেল থেকে আমরা যা যা শিখবো এবং জানবো
ব্লগ কি? কিভাবে ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরী করব কিভাবে ব্লগার হওয়া যায় কিভাবে ব্লগে ভিজিটর আনা যায় ব্লগ থেকে কিভাবে আয় করা যায়
১/ ব্লগ কি (What is blog?)
ব্লগ শব্দটি ইংরেজি Blog এর বাংলা প্রতিশব্দ, যা এক ধরণের অনলাইন ব্যক্তিগত দিনলিপি বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক পত্রিকা। ইংরেজি Blog শব্দটি Weblog এর সংক্ষিপ্ত রূপ। যিনি ব্লগে পোস্ট করেন তাকে ব্লগার বলা হয়। ব্লগাররা প্রতিনিয়ত তাদের ওয়েবসাইটে কনটেন্ট যুক্ত করেন আর ব্যবহারকারীরা সেখানে তাদের মন্তব্য করতে পারেন। এছাড়াও সাম্প্রতিক কালে ব্লগ ফ্রিলান্স সাংবাদিকতার একটা মাধ্যম হয়ে উঠছে। সাম্প্রতিক ঘটনাসমূহ নিয়ে এক বা একাধিক ব্লগাররা তাদের ব্লগ হালনাগাদ করেন। {সূত্র: উইকিপিডিয়া}ব্লগ(Blog) হলো এমন একটি জিনিস যেখানে যে কেউ যে কোন বিষয়ের উপর তার নিজের মন খুশি মত লেখালেখি করতে পারে এবং সেটা পুরো ইন্টারনেটে সবসময়ের জন্য থেকে যায় । এবং সেটা যে কেউ তার নিজের প্রয়োজনে পড়তে পারে। এবং মন্তব্য করতে পারে। কিন্তু ব্লগে(Blog) লেখালেখি করার জন্য আপনাকে অবশ্যই কিছু খরচ বহণ করতে হবে। যেমন একটি ব্লগ তৈরি করতে হবে যার জন্য লাগবে ডোমেন(domain) নেম,হোস্টিং(Hosting) সার্ভার, থিম আরো অনেক কিছু। যা সবগুলোই কিনে নিতে হয় যদিও বা ফ্রিতেও এসব জিনিস পাওয়া যায় কিন্তু ফ্রি গুলো তেমন টেকসই নয়।
২/ কিভাবে ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরী করব
ব্লগওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য অনেক উপায় রয়েছে। তার মধ্যে সেরা দুটি হলো ওয়ার্ডপ্রেস থেকে ব্লগ তৈরি করা আর অন্যটি হলো ব্লগার থেকে ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করা।আপনারা যে কোন একটি থেকেই ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারেন। আপনারা ইচ্ছে করলে ফ্রি অথবা কিছু টাকা পয়সা খরচ করে প্রিমিয়াম সাইটও বানাতে পারেন। আমি আপনাদেরকে আজকে ওয়ার্ডপ্রেস থেকে কিভাবে একটি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয় সেটি বলবো । জেনে রাখা ভালো আপনি যদি সত্যি আয় করার উদ্দেশ্য নিয়ে ব্লগ বানাতে চান তাহলে আমি আপনাকে বলবো আপনি ফ্রি এর দিকে না যেয়ে কিছু টাকা পয়সা খরচ হলেও প্রিমিয়াম ডোমেন হোস্টিং ও থিম নিয়ে কাজ করুন।
যা যা লাগবে আপনার একটি ব্লগ সাইট তৈরি করার জন্য
১/ একটি ডোমেন নাম(domain name): domain নাম হলো আপনার সাইটের নাম যেমন webdevzak.com । এটি হলো একটি domain name। আর এখানের শেষের অংশটাকে বলা হয় ডোমেন(domain) (.Com)। এ রকম আরো অনেক ধরণের ডোমেন(domain) রয়েছে। যেমন ( .net, .edu, .org, .mobi, .bd, .in ,.info, .xyz, ) এখান থেকে যে কোন একটি domain বেছে নিয়ে আপনার domain নেমটি তৈরি করতে হবে। এছাড়াও ফ্রি domain ও রয়েছে কয়েকটি ফ্রি ডোমেন হলো (.Tk, .Ga, .ml, gq ইত্যাদি) ।
২/একটি হোস্টিং (Hosting): আপনার ব্লগসাইটটির জন্য দরকার একটি hosting সার্ভার । hosting সার্ভার হলো এক ধরণের হার্ডডিক্স বা মেমোরি যা ইন্টানেটে থাকে। আপনি যখন আপনার সাইটি তৈরি করবেন তখন নিশ্চই আপনার সাইটের নানা রকম ফাইল বা ইমেজ ,অডিও ,ভিডিও ইত্যাদি রাখার প্রয়োজন হবে তখন এসব ফাইলগুলো রাখার জন্য নিশ্চই আপনার একটা মেমোরি বা জায়গা দরকার হবে এই মেমোরি বা জায়গাকেই বলা হয় hosting) নানা রকম হোস্টিং রয়েছে। যেমন: Shared Hosting , VPS Hosting, Reseller Hosting ইত্যাদি । ব্লগসাইটের জন্য সাধারণত তেমন বেশি হোস্টিং প্রয়োজন হয় না। একবছরের জন্য ১গিগাবাইট হোস্টিং স্পেস হলেই যথেষ্ট তবুও আপনা চাহিদা অনুযায়ী বাড়িয়ে কমিয়ে নিতে পারেন। তাই আপনাকে যেকোন একটি সার্ভার থেকে hosting ভাড়া নিতে হবে।
৩/ একটি জিমেইল একাউন্ট থাকতে হবে:
আপনার অবশ্যই একটি জিমেইল একাউন্ট থাকতে হবে। যদি না থাকে তাহলে অবশ্যই আপনাকে একটি জিমেইল একাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে।৪/ একটি প্রিমিয়াম থিম: আপনার সাইটের কি রকম ডিজাইন হবে কোন উপাদানটি কোথায় থাকবে, আপনার আর্টিকেলের টেক্স এর ফন্ট কেমন হবে, সাইজ কত হবে ,কোথায় কি কালার হবে, এক কথায় আপনার সাইটের বাহ্যিক যে আউটলুক সেটিই হলো আপনার থিম। আপনার সাইটের সৌন্দর্য রক্ষা করতে ও ভিজিটরদের আকৃষ্ট করতে একটি প্রিমিয়াম থিমের কোন তুলনা নেই। যদিও ওয়ার্ডপ্রেসে ফ্রি থিমের কোন অভাব নেই তবুও প্রিমিয়াম থিম সবচেয়ে ভালো। তাই আপনার ব্লগ তৈরি কতে একটি প্রিমিয়াম থিম লাগবে। কিভাবে ব্লগ বানানোর কাজ শুরু করবো(How to make Blog in bangla) How to make Blog in bangla সাইট তৈরি করার প্রথমেই আপনাকে একটি ডোমেননেম(domain name) ও হোস্টিং(hosting) রেজিস্টেশন করে নিতে হবে এর জন্য অসংখ্য ওয়েবসাইট রয়েছে। তার মধ্যে আমার দেখা সেরা হলো Namecheap.com এই সাইটে প্রবেশ করে আপনারা আপনাদের খুশি মত একটি ডোমেন(domain) ও একটি হোস্টিং(Hosting) কিনে নিবেন কিংবা আপনারা আপনাদের পছন্দমত যে কোন website থেকে ডোমেন(domain) ও হোস্টিং(hosting) নিতে পারেন এটা কোন ব্যাপার না। তারপর তারা আপনাকে একটি আপনার সাইট কন্ট্রোল করার জন্য সাইট কন্ট্রোল প্যানেল দিবে যেটির মাধ্যমে আপনারা আপনাদের সাইটের সমস্তকিছু কন্ট্রোল করতে পারবেন। ডোমেইন হোস্টিং নেওয়া হয়ে গেলে আপনাকে সেই কন্ট্রোল প্যানেলে এ লগইন করে সফটওয়্যার অপসন থেকে ওয়ার্ডপ্রেস খুজে বের করেতে হবে। তারপর সেখান থেকে ওয়ার্ডপ্রেস ইনিস্টল করে নিতে হবে আর এই ইনিস্টল করার সাথে সাথে আপনি পেয়ে যাবেন একটি blog site যেখানে আপনি আপনার ইচ্ছে মত যে কোন ধরনের Article বা পোষ্ট লিখতে পারেন । আপনি যদি web design and web development জানেন তাহলে আপনার জন্য আর তেমন কষ্ট করতে হবে না। আপনি নিজেই আপনার Blog খুব ভালোভাবে develope ও কাস্টমাইজ করে নিতে পারবেন । কিন্তু আপনি যদি কাজ না জানেন তাহলে কিন্তু আপনাকে হয় ডেভলপার ভাড়া করে কাজ করিয়ে নিতে হবে না হয় যে কোন কাস্টম থিম কিনে নিতে হবে।
৩/ কিভাবে ব্লগার হওয়া যায়
আপনি তখনি কোন বিষয়ে লিখতে পারবেন যখন আপনি সেই বিষয়টা সর্ম্পকে খুব ভালোভাবে জানবেন। এরজন্য আপনাকে অবশ্যই ব্লগের বিষয় নির্ধারনের সময় একটু মাথায় রাখতে হবে যে- -আপনি যে বিষয়ের উপর ব্লগ বানাবেন ভাবছেন সেই বিষয়ে আপনি কেমন জানেন । ধরুন আপনি দেখলেন টেকনোলজি বিষটা খুব ভালো ব্লগ এ লেখালেখি করার জন্য কারণ টেকনোলজি বিষয়ে প্রতিটি মানুষের প্রচুর আগ্রহ রয়েছে তাই এই বিষয়ে আপনি যদি লেখালেখি করে করেন তাহলে প্রচুর ভিজিটর পাবেন । এই কথা ভেবেই আপনি কিছু টাকা পয়সা খরচ করে একটি ব্লগ বানিয়েও ফেললেন এখন আপনার একটি ব্লগ আছে সেটি খুব সুন্দর সবাই পছন্দ করার মত কোন জামেলা নাই । এখন কাজ হলো হলো সাইটে পোস্ট করা কিন্তু আপনি পোস্ট করতে গিয়ে দেখলেন আপনার ব্লগ যে বিষয়ের সেই টেকনোলজি বিষয়ে আপনি তেমন কিছু নিজেই জানেন না তাহলে আপনি অন্যের জন্য কি করে কিছু লিখবেন আপনার ব্লগে । তাই ব্লগ তৈরি করার সময় অবশ্যই আপনার সামর্থের কথাটা মাথায় রাখবেন। আপনি কি জানেন না জানেন সেই দিকেও খেয়াল রাখবেন। আপনি যেই বিষটা খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে লিখতে পারবেন সেই বিষয়টাকেই আপনার ব্লগের বিষয় হিসেবে নির্ধারণ করুন। আর আপনি যদি মনে করেন আমি তো কিছুই জানি না তাহলে কি করবো তাহলে কি আমি ব্লগ সাইট (blog site) থেকে আয় করতে পারবো না কিংবা কোন বিষযয়েই লিখতে পারবো না।এই কথা যদি আপনি ভেবে থাকেন তাহলে আমি আপনাকে বলবো হ্যা অবশ্যই পারবেন। কিন্তু এরজন্য আপনাকে একটি নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। এর জন্য আপনি যে বিষয়ে আপনার ব্লগ সাইটটি তৈরি করবেন সেই বিষয়ে উপর কিছু কিওয়ার্ড নির্ধারণ করুন তারপর সেই কিওয়ার্ড গুলো দিয়ে গুগল এ সার্চ করুন দেখবেন কিছু ভালো ভালো এবং বড় বড় ব্লগ সাইট পেয়ে যাবেন যেখানে অনেক অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা সেই সব ব্লগে অনেক আর্টিকেল লিখে রেখেছে সেই আর্টিকেল গুলো আপনি খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ে নিবেন তারপর সেই বিষয়গুলোর উপর মুটামুটি একটু ধারণা লাভ করার পর আপনি সেই সবগুলো আর্টিকেলের চেয়ে আরো ভালো ভাবে আপনার আর্টিকেলটি লেখার চেষ্টা করবেন তাহলেই আপনি তাদের অভিজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে এবং আপনার উপস্থিত বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে অনেক মান সম্মত আর্টিকেল আপনার ব্লগে লিখতে পারবেন এবং তা পাবলিশ করতে পারবেন। এতে আপনার লেখা আর্টিকেলগুলো সবাই পছন্দ করতে থাকবে। আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে আপনার ব্লগে অবশ্যই এমন কিছু দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে যাতে সবাই আপনার কাছ থেকে নতুন কিছু শিখতে ও জানতে পারে। এবং আপনার লেখাগুলো যাতে অনেক গুছানো হয় এবং যে বিষয়ে লিখবেন সেই বিষয়টা সর্ম্পকে বিস্তারিত দেওয়ার চেষ্টা করবেন। যাতে সবাই তা বুজতে পারে এবং কোন না কোন উপকার পায় তাহেলেই আপনার ব্লগটি আসতে আসতে মানুষের পছন্দের তালিকায় পৌছাতে থাকবে। এভাবেই আপনি একজন পরিপূর্ণ ব্লগার হিসেবেগড়ে উঠবেন।
কিভাবে ব্লগে ভিজিটর আনা যায়
Visitorsহলো একটি ওয়েবসাইটের বা ব্লগের প্রাণ। একটি সাইটের সবচেয়ে বড় চ্যালেন্জের কাজ হলো সেই সাইটে ভিজিটর(visitor) আনা। বেশিরভাগ ব্লগের এডমিনরা এখানে এসেই হাল ছেড়ে দেয় কারণ তারা অনেক চেষ্টার পর যখন তাদের ব্লগে ভিজিটর আনতে অক্ষম হন তখন তারা ভেবেই নেয় যে ব্লগে ভিজিটর আনা অসম্ভব। কারণ একটা মানুষকে আপনার ব্লগ সর্ম্পকে বুজানো যে আপনার ব্লগে আসলেই মানস্মত লেখা রয়েছে যা দেখে আসলেই কেউ কিছু শিখতে পারবে সেটা করা আসলেই অনেক কঠিন একটি কাজ যদি আপনি আসলেই সঠিক উপায় না জেনে থাকেন । একবার ভেবে দেখুন আপনি কষ্ট করে টাকা পয়সা খরচ করে ব্লগ সাইট বানালেন সেই সাইটে কষ্ট করে নিয়মিত অনেক ভালো ভালো লেখা লিখে যাচ্ছেন কিন্তু সেই লেখা পড়ার জন্য কেউ আপনার সাইটে প্রবেশকরছে না । মানে আপনার আসল উদ্দেশ্যটাই হাসিল হচ্ছে না। তখন আপনার কেমন লাগবে। এতে আপনার যেমন কোন দোষ নেই তেমনি এতে আপনার ভিজিটরদেরও তেমন কোর দোষ নেই কারণ আপনার সাইটের কথা হয়ত বেশিরভাগ মানুষ জানেই না। যার ফলে আপনার সাইটে কেউ প্রবেশ করে না। তাই আপনার প্রথম কাজ হলো অনেক মানুষকে আপনার সাইট সর্ম্পকে জানানো যে আপনার সাইটে এই এই বিষয়গুলো রয়েছে যা সত্যি তাদের কাজে আসতে পারে । যা অনেক কঠিন কাজ হিসেবে গন্য করে থাকে আমাদের দেশের বেশিরভাগ নতুন ব্লগএডমিনরা।
কিন্তু একটু নিয়ম মেনে কাজ করলে এটাও অনেক সহজ হয়ে যাবে আর সেই নিয়ম গুলোই আমি আপনাদের এখন বলবো আশা করি আপনারা যদি সেই নিযমগুলো অনুসরণ করেন তাহলে খুব তাড়াতাড়ি আপনি আপনার বিজিটরদের মন জয় করতে পারবেন এবং আপনার ব্লগে প্রচুর ভিজিটর নিয়ে আসতে পারবেন খুব অল্প সময়েই।
১/ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা: আপনার ব্লগের প্রিতিটি আর্টিকেল প্রচুর পরিমাণে আপনার ভিবিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রোফাইলে শেয়ার করুন। যেমন( ফেসবুক, টুইটার, গুগলপ্লাস, ইন্সটাগ্রাম, লিংকডিং ইত্যাদি) এই সবগুলো সাইটে আপনার সকল বন্ধুদের সাথে আপনার আর্টিকেলটি শেয়ার করেন তাহলে আপনি এখান থেকে মুটামুটি অনেক ভিজিটর visitors পাবেন ।এভাবে আপনি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে প্রচুর ভিজিটর পেতে পারেন আপনার ব্লগের জন্য । তাই যত বেশি পারেন আপনার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ওয়েবসাইটে আপনার আর্টিকেলগুলো শেয়ার করতে পারেন।
তবে মনে রাখতে হবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপনার আর্টিকেল শেয়ার করার সময় অবশ্যই মাত্রারিক্ত কিছু করতে যাবেন না। অবশ্যই এক্ষেত্রে আপনার বিবেগ বুদ্ধিকে কাজে লাগাতে হবে। মনে রাখবেন কোন কিছুই অতিরিক্ত ভালো না আপনার শেয়ার করার ধরণ যেন কোন ভাবেই আপনার বন্ধুর জন্য বিরক্তির কারণ না হয় তাহলে আপনার লাভের চেয়ে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
২/ সার্চ ইন্জিন আপটিমাইজেশন(SEO) করা: আপনার ব্লগটিকে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশণ করুন। এতে আপনা ব্লগটিকে ভিবিন্ন সার্চ ইন্জিন খুব ভালোভাবে বুজতে পারবে এবং তারা আপনার সাইটটিকে তাদের সার্চ রেসাল্ট এ যথাসম্ভব উপরের দিকে দেখাবে।
৩/ ফ্রাম পোস্ট করা: আপনি বিভিন্ন জনপ্রিয় ফ্রাম সাইটে পোস্ট করতে পারেন এবং সেই পোস্টের নিচে আপনার সাইটের লিংকটা দিয়ে দিতে পারেন এতে সেই ফ্রামের কিছু ভিজিটর visitors আপনিও আপনার ব্লগের জন্য পেয়ে যাবেন। আপনি যদি নিয়মিত অনেক গুলো জনপ্রিয় ফ্রাম সাইটের সাথে যুক্ত থাকেন তাহলে এই ফ্রাম পোস্টের মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগে প্রচুর ভিজিটর নিয়ে আসতে পারবেন।
৪/ অন্য ব্লগের সাথে লিংক শেয়ার করা: ধরুন আপনার ব্লগটিতে মাজারি ভিজিটর visitors রয়েছে । এবং আপনার মতই আরো একটি ব্লগ যেটিরও মাজারি ভিজিটর রয়েছে কিন্তু সেই ব্লগটি আপনার ব্লগের আর্টিকেল এর বিষয়ের থেকে অন্য একটি বিষয়ের উপর Article পাবলিশ করে থাকে। তাহলে আপনি সেই ব্লগের এডমিনের সাথে কথা বলে আপনার ব্লগের লিংক তার ব্লগে এবং তার ব্লগের লিংক আপনার ব্লগে শেয়ার করতে পারেন। যেহুতু দুইটি ব্লগ দুই বিষয়ের উপর তাই এতে কারোই তেমন ক্ষতি হওয়ার কথা নয় বরং উপকার হবে ।তবে এটা কাজ করতেও পারে আবার নাও করতে পারে কারণ বেশির ভাগ এডমিনরা এটা করাতে চায় না। তাও চেষ্টা করে দেখেতে পারেন। তবে আপনি যদি
কয়েকটি ব্লগের সাথে এরকম চুক্তি করে ফেলতে পারেন তাহলে কিন্তু এই ভাবে আপনার ব্লগে প্রচুর ভিজিটর নিয়ে আসতে পারেবেন।
৫/ব্লগ থেকে কিভাবে আয় করা যায় ধরুন আপনার সাইটের সব কিছু ঠিক আছে এখনো পর্যন্ত আমি যা যা বলেছি তা সবই সম্পন্ন করেছেন। আপনার ব্লগ সাইট তৈরি করেছেন ভালো ভালো পোস্ট করেছেন অনেক শেয়ার এবং সঠিকভাবে অপটিমাইজেশন করার মাধ্যমে আপনার ব্লগে এখন বেশ ভালোই ভিজিটর প্রতিদিন প্রবেশ করে । ধরুন আপনার সাইটে আপনি ৩০-৫০টা আর্টিকেল পাবলিশ করে ফেলেছেন এবং সেই আর্টিকেল গুলো পড়ার জন্য প্রতিদিন প্রায় ১০০০ এর মত ভিজিটর(visitors) প্রবেশ করে তারপমানে আপনার সাইটে বলা চলে মুটামুটি কেউ না কেউ ঢুকে। তো এখন কথা হলো এত কিছু করার পরও কোন টাকা তো এখনো পেলাম না। এটাই প্রশ্ন থাকে সবার । যারা যারা এই প্রশ্নটা করবে তারা হয়ত জানেই না যে ব্লগে কেন টাকা ইনকাম হয় এবং কারাই বা টাকা গুলো দিয়ে থাকে। তাই তাদের জন্যই প্রথমে বুজতে হবে ব্লগে টাকা কেন ইনকাম হয় এবং কারাই বা টাকা দেয় এবং কি লাভেই বা টাকাগুলো তারা টাকা দিয়ে থাকে । নতুনদের মধ্যে অনেকে
ভেবে থাকে বা ধারণা করে থাকে ইন্টারনেট চালিয়ে অনেকে টাকা খরচ করে তার সাইটে প্রবেশ করে দেখে তাই টাকা পাওয়া যায় আসলে কিন্তু তা নয় ইন্টারনেটে থেকে কোন টাকাই পাওয়া যায় না। তাহলে কোথা থেকে টাকা পাওয়া যায় এবং কারা দেয় সেই টাকা? তাহলে আমি আপনাকে বুজিয়ে বলছি এই টাকা গুলো দেয় বিভিন্ন বিজ্ঞাপন কম্পানিগুলো । তারা তাদের বিজ্ঞাপন আপনার ব্লগে প্রচার করার মাধ্যমে তাদের কম্পানির বা তাদের কোন পণ্যের প্রচার প্রচারণা করে থাকে যার বিনিময়ে আপনাকে তারা টাকা দিয়ে থাকে। ফলে বুজতেই পারছেন তারা কি লাভে আপনাকে টাকা দেয় এবং কেনাই বা টাকা দেয় । তাই আপনার সাইটে যত বেশি ভিজিটর প্রবেশ করবে তত বেশি মানুষ সেই বিজ্ঞাপন দেখতে পারবে এবং তত বেশি পণ্য বিক্রি হবে সেই বিজ্ঞাপর দাতা কম্পানির ফলে তত বেশি টাকা সেই বিজ্ঞাপন কম্পানি আপনাকে দিবে। বিজ্ঞাপন কোথা থেকে নিবো: বিজ্ঞাপন নেওয়ার জন্য আপনাকে তেমন কষ্ট করতে হবে না কারণ বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য এখন বিভিন্ন রকম সাইট রয়েছে যেখান থেকে আপনি আপনার সাইটের জন্য বা ব্লগের জন্য বিজ্ঞাপন নিতে পারেন । এমনি একটি ওয়েবসাইট হলো গুগল এডসেন্স। গুগল এডেসেন্স হলো পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত বিজ্ঞাপন দাতা কম্পানি। এছাড়াও আপনি আপনার আসে পাশে বিভিন্ন লোকাল কম্পানির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন এবং তাদের বিজ্ঞাপন আপনার ব্লগে প্রচাররের মাধ্যমে আয় করতে পারেন। এছাড়াও আপনার ব্লগ যখন অনেক জনপ্রিয় হয়ে যাবে তখন আপনি বিভিন্ন সাইট বা ইউটিউব চ্যানেল প্রমোট করেও টাকা আয় করতে পারবেন আরো নানা উপায় রয়েছে টাকা আয় করার এক কথায় আপনি যদি আপনার সাইট সেই ভাবে জনপ্রিয় করতে পারেন তাহলে টাকার পিছনে আপনাকে দৌড়াতে হবে না টাকাই আপনার পিছনের দৌড়াবে। তাই প্রথমেই টাকা কথা চিন্তা না করে সাইট বড় করার ব্যাপারটা মাথায় রাখলেই বেশি ভালো।



No comments