Header Ads


জেনে নিন নতুন ব্লগের ভিজিটর বাড়ানোর সেরা ১০ টি উপায়ঃ


মোটামুটি ভাল পরিমাণ ট্রাফিক সবার সাইটের জন্যই দরকার আর আপনার ওয়েবসাইট যদি নতুন হয় তাহলে তো কথাই নেই। 

সাধারণত আমাদের সাইট বানানোর উদ্দেশ্য থাকে অ্যাডসেন্স বা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য। আর কমবেশি আমাদের সবারই প্রধান চেষ্টা থাকে সার্চ ইঞ্জিন মানে গুগল থেকে ভিজিটর আনার। আর সেই লক্ষ্যে আমাদের সাইটকে একটা কিওয়ার্ডে রেঙ্ক করার চেষ্টা করি এবং ওখান থেকে ভিজিটর পাওয়ার আশা করি।

 আজকের টিপস তাদের জন্য যারা তাদের নতুন ওয়েবসাইট ডেভেলপ করেছে আর তাদের ব্লগে কাঙ্ক্ষিত ভিজিটর পাচ্ছে না।

১। কনটেন্ট ইজ কিংঃ আপনি অ্যাফিলিয়েট করেন আর ব্লগ লিখেন আপনাকে সবসময় কোয়ালিটি আর্টিকেল পোস্ট দিতে হবে।

আপনার লিখাটি এমন হবে যাতে করে ভিজিটর আপনার কাছ থেকে নতুন কিছু জানতে পারে। আর আর্টিকেল লিখার সময় কিওয়ার্ড ডেনসিটি এবং আর্টিকেলের ওয়ার্ড কাউন্টের বিষয়টি খেয়াল রাখবেন।

 ধরুন আপনার লিখার বিষয় হবে “how to improve your mountain biking skills” l যখন আপনি এই বিষয়টির উপর লিখবেন, তখন চেষ্টা করবেন সর্বোচ্চ পরিমাণে ইনফরমেশন ভিজিটরদের দিতে। আপনার দ্বারা যতদূর সম্ভব তবে আপনার আর্টিকেল টেনে টেনে বড় করবেন না। আর আর্টিকেল লিখার সময় কিওয়ার্ড ডেনসিটিটা মেইনটেইন করবেন যেমন, ধরুন আর্টিকেল লিখছেন ৭০০ ওয়ার্ডের সেখানে আপনার মেইন কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন মিনিমাম ৩ বার হুবহু, আর ওর সাথে ফ্রেজাল কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন ৩ থেকে ৫ বার। যেমন আপনার মেইন কিওয়ার্ড হচ্ছে “how to improve your mountain biking skills”এখানে আপনি ফ্রেজাল হিসেবে “tips to improve your mountain biking skills” “ improve your mountain biking skills” এই গুলো ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি সাইটে ভালো মানের কনটেন্ট দিতে পারেন তাহলে দেখবেন রাতারাতি আপনার ব্লগ ইনডেক্স হয়ে যাবে আর সেটি সার্চ ইঞ্জিনে লিস্টেড হয়ে যাবে এবং ব্লগে ভিজিটর আসতে থাকবে।


২। আপনার ব্লগটিকে সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করুনঃ আপনার ওয়েবসাইট বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করুন। কারণ অনেক সময় দেখা যায় গুগল কোন এক অজানা কারণে আপনার ব্লগটি ইনডেক্স করছে না তখন এটি করে রাখলে আপনার সাইট খুব তাড়াতাড়ি ইনডেক্স হয়ে যাবে।


৩। সোশ্যাল শেয়ারঃ আপনার সাইটকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে শেয়ার করবেন যেমন ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদি। যখনি ব্লগে নতুন কোন পোস্ট আসবে সেটি আপনার ফ্যানপেজ এ শেয়ার দিবেন আর আপনার ফ্যানপেজকে বিভিন্ন গ্রুপে শেয়ার দিবেন। দেখবেন আপনার ব্লগে ভিজিটর বাড়বে।


৪। পোস্টের টাইটেল ভালমতো অপটিমাইজ করুনঃ মনে রাখবেন আপনার পোস্ট যখন কোন সার্চ ইঞ্জিনে আসবে বা ভিজিটরের সামনে যাবে তখন কিন্তু সে সবার আগে আপনার পোস্টের টাইটেল খেয়াল করবে l কিন্তু টাইটেল যদি আকর্ষণীয় না হয় তবে ভিজিটর আপনার পোস্ট পরতে আগ্রহ পাবে না আর আপনার ব্লগে ভিজিটর আসবে না।


৫। পোস্টে ইন্টারনাল লিংক করুনঃ আপনার ব্লগে যখন কোন নতুন পোস্ট দিবেন তখন সেখানে ইন্টারনাল লিঙ্কিং করতে ভুলবেন না l এর ফলে আপনার ব্লগে ভিজিটর অনেকক্ষণ থাকবে। যেমন আপনার ব্লগটি “ওয়েট লস” রিলেটেড আর আপনি সেখানে পোস্ট দিচ্ছেন “ওজন কমানোর ১০টি উপায়” l এখন আপনার ব্লগে যদি একই রকমের অন্য কোন পোস্ট থাকে তবে এটিকে তার সাথে লিংকআপ করে দেন। তখন আপনার ভিজিটর সেই পোস্টটি পড়বে আর এটি আপনার ব্লগের বাউন্সরেট কমাতে সাহায্য করবে।


৬। মেটা ডেসক্রিপশন লিখুনঃ আপনার সাইটের জন্য মেটা ডেসক্রিপশন লিখার সময় খেয়াল রাখবেন যেন সেখানে আপনার কিওয়ার্ড থাকে। এর ফলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার পোস্ট বা সাইটকে বেশি প্রাধান্য দিবে আর আপনি অন্যদের তুলনায় সহজে রেঙ্ক করতে পারবেন।


৭। ব্যাকলিংক তৈরি করুনঃ এটি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে l যেমন ব্লগ কমেনন্টিং, আর্টিকেল মার্কেটিং ইত্যাদি। বর্তমান সময়ে ব্যাকলিংক করতে হলে আপনাকে যে কয়টি বিষয় মাথায় রাখতে হবে: - যেখান থেকে ব্যাকলিংক নিচ্ছেন সেটি কি অথোরিটি সাইট - সেখানকার ইনডেক্স পেজ কেমন- ডোমেইন এবং পেজ অথোরিটি কেমন - সাইট পি আর বা পেজ পি আর(পেজরেঙ্ক) কেমন - ডু-ফলো নাকি নো-ফলো l সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ব্যাকলিংকটি আপনার সাইটের সাথে রিলেটেড তো। উদাহরণ: ধরুন আপনার ব্লগটি মেডিটেশন রিলেটেড আর আপনি ব্যাকলিংক নিচ্ছেন ইলেক্ট্রনিক রিলেটেড। তাই যদি হয় তাহলে আপনি যত ভালো করেই বা উপরের সবগুলো নিয়ম মেনে ব্যাকলিংক নেন তাতে কোন লাভ হবে না। হতে পারে সাময়িক ভাবে আপনি লাভবান হচ্ছেন কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী পর্যায়ে অনেক বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। গুগল আপনার ব্লগটিকে ম্যানুয়াল পেনাল্টি দিতে পারে ইরিলেভেন্ট ব্যাকলিংক নেবার দায়ে। তাই ব্যাকলিংক নেবার সময়
সতর্ক থাকুন l এখন আর শুধু ব্যাকলিংক করেই আপনি রেঙ্কে চলে আসতে পারবেন না। আর হ্যাঁ “কনটেন্ট ইজ কিং” এই কথাটি অবশ্যই মনে রাখবেন।


৮। ভালো এস ই ও জ্ঞানঃ আপনার যদি ভালো এস ই ও জ্ঞান থাকে তবে আপনি এমনিতেই অনেক ভালো করতে পারবেন। এমন অনেক এস ই ও ট্রিকস আছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি ব্লগে অনেক অনেক ভিজিটর আনতে পারবেন। যেমন, - সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং - পেইড মার্কেটিং- ইউটিউব মার্কেটিং, ইত্যাদি l


৯। কমেন্ট অপশনঃ আপনার ব্লগে কমেন্ট অপশন রাখবেন তবে সেটি যেন অটো এপ্রুভ না হয়। আর যারা আপনার পোস্টে গঠনমূলক কমেন্ট করবে বা কোন প্রশ্ন করবে তাদেরকে অবশ্যই আপনার মতামত বা উত্তর দিবেন। মনে রাখবেন আপনার পোস্টে যত কমেন্ট বাড়বে গুগলের কাছে আপনার ব্লগের অথোরিটি ততো বাড়বে।


১০। ব্লগের ডিজাইনঃ এটিও একটি অন্যতম মুখ্য বিষয় আপনার ব্লগের ভিজিটর বাড়ানো বা ধরে রাখার। আপনার ব্লগটি হতে হবে তথ্য নির্ভর আর ডিজাইনটি করবেন একেবারে সাদামাটা। সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড আর সাথে অন্য কোন কালার ব্যাবহার করবেন। আর ডোমেইন নির্বাচন করার সময় চেষ্টা করবেনডট.কম নেবার। তাহলে আপনি সার্চ ইঞ্জিন থেকে কিছু বাড়তি সুবিধা পাবেন।

No comments

Theme images by RASimon. Powered by Blogger.