ই-কমার্স
ই -কমার্স কে ইলেক্ট্রনিক কমার্স বা ই বাণিজ্য ও বলা হয়। ই-কমার্স বলতে বোঝানো হয় ইন্টারনেট ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনা করার প্রক্রিয়া। এটি কে বাজারজাত করণের একটি প্রক্রিয়া বলা চলে। সাধারণত ইন্টারনেট অথবা যে কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে পণ্য কেনা বেচার প্রক্রিয়া। বতর্মানে ই-কমার্স আরো বেশি জনপ্রিয় কেনাকাটার মাধ্যম হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশে। এ প্রক্রিয়া কর্ম ব্যস্ত মানুষের জীবন কে করে দিচ্ছে আরো সহজ আরো রুচিশীল।
ই-কমার্সের প্রকারভেদঃ ই-কমার্স চার প্রকারের হয়ে থাকে।
১.বি টু বিঃ এটি ব্যবসায়ি থেকে ব্যবসায়ির মাঝে সম্পাদিত ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া।
২. বি টু জিঃ এটি ব্যবসায়ি থেকে সরকারের সাথে ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া।
৩.বি টু সিঃ এ প্রক্রিয়া ব্যবসা থেকে ভোক্তার মাঝে কেনা বেচার মাধ্যম।
৪.সি টু সিঃ ভোক্তা থেকে ভোক্তা কেনা বেচার প্রক্রিয়া এটি।
ই- কমার্সের সুবিধাঃ এর সুবিধা ব্যপক। ইন্টারনের মাধ্যমে এক জন মানুষ সহজেই তার প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারছে। এতে করে তার মার্কেট যাওয়ার প্রয়োজন হলো না। সময় বাঁচলো। তা ছাড়া ঘরে বসেই মার্কেটিং এর আনন্দ টাই আলাদা। এ ছাড়া আমরা ই-কমার্সের কল্যাণে অনেক দুঃরহ
জিনিস পত্র সহজেই খুঁজে পাচ্ছি। এক জেলায় বসে অন্য জেলার বিখ্যাত খাবার গুলো খেতে পারছি। আসলে ই-কমার্সের সুবিধা ব্যপক। এটি বর্ননা করা এতো সল্প পরিসরে সম্ভব নয়।
ই-কমার্সের অসুবিধাঃ অনেক অনেক সুবিধার পাশা পাশি এর কিছু অসুবিধা ও রয়েছে। এগুলোর জন্য একমাত্র দায়ি কিছু অসাধু ব্যবসায়ি। যে পন্যের ছবি দেখায় তা না দেয়া, জালিয়াতি করা, ঠওক মত পন্য ডেলিভারি না দেয়া। টাকা নিয়ে পণ্য সেন্ড না করা ইত্যাদি। তবে বর্তমানে এগিলোর জন্য ও আইনি ব্যবস্থা রয়েছে। আর কিছু খারাপ সর্বত্রই থাকে। হোক সেটা ই-কমার্সে কি বা সরাসরি।
ই-কমার্সের ইতিহাসঃ
=>১৯৯৭ সালে সর্ব প্রথম ইকমার্সের যাত্রা শুরু হয়।।
=>১৯৭২ সালে APPANET ব্যবহার করে মারিজুয়ানা বিক্রয় করা হয় স্ট্যানফোর্ডে।
=>১৯৭৯ সালে মাইকেল অল্ড্রিচ প্রথম অনলাইন শপিং এর ডেমো দেখান।
=> বাংলাদেশে ই-কমার্সের সূচনা হয় ১৯৯৯ সালে মতান্তরে ২০০০।
=> বাংলাদেশের প্রথম ই-কমার্স সাইট মুন্সিজিডটকম।
=>২০১৩ সালে ডেবিট ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশে ই-কমার্সের গতি আরো ত্বরান্বিত হয়।
=>২০১৪ সালে ই-ক্যাব প্রতিষ্ঠার ফলে ইকমার্স আরো ত্বরান্বিত হয়।



No comments